Saturday, March 3, 2018

রক্ত কবিতা,,,

রক্ত সেলিনা আক্তার তুমি কি জানো? সবুজের বুকে কেন এই লাল বৃত্ত তুমি কি জানো? ২১ শে ফেব্রুয়ারি ফুলে ফুলে ভরে যায় শহিদ মিনার। জানো কি তুমি? ২৬ শে মার্চ মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকা শহিদের সম্মানে আজও প্রাণ ঢালা অভিন্দন জানায়। দেখনি তুমি, দেখেছে তোমার দাদু দেখেছে তোমার দিদা। মাঠের ধারে নদীর পাড়ে দেখেছে কত লাশ,তবুও তারা পায়নি ভয় জানিয়েছে তীব্র প্রতিবাদ। সবুজের বুকে গিয়েছে কত রক্ত রাঙা প্রাণ। তাইতো আমরা পেয়েছি আজও স্বাধীন বাংলার গ্রাণ।

Friday, March 2, 2018

একুশে বই মেলা (সেলি আকতার)

একুশে বই মেলা সেলি আকতার এবারের বই মেলা কাছুটা ছিল শূন্য। তুমি যখন এসেছিলে হয়ে গেল পূর্ন। এতো বড় মাঠের মাঝে যত গুলো দোকান ছিল, বড় বড় লেখকের বই যত্ন করে গোছানো ছিল। মেলার মাঝে অনেক দোকান রংধনুটি তাহারি নাম, হঠাৎ করে ঘোষনা হলো তারাই নাকি বিজয়ী হলো। চারিদিকে বইয়ের আবাস, পাঠক মনে খুসির আবাস। সকাল থেকে সন্ধে বেলা অক্লান্ত পরিশ্রম দঁাড়া, যে করেছে উপস্থাপনা তাহার কথা লিখতে গেলে শেষ হবেনা আমার লিখা।।।

Wednesday, February 28, 2018

তুমি কি শুনবে ...?? সেই রোমান্টিক কবিতা


তুমি কি শুনবে ...আমার ভাল-মন্দ লাগা কিংবা দুঃখ ব্য... জ্যোৎস্না রাতে চাঁদ দেখতে ভীষণ লাগে ভাল....এই কি আ... বিনা দোষে পেলাম এত্ত সাজা.. 'মেঘ' তোমাকে নিয়ে লিখে চাই ..কিন্তু পারলাম না.. মেঘ তাকেই এখন ভালবাসি তোমায় না পেয়ে...যেই মেঘ আমাক... মন বলে একবার তোময় দেখতে পাই যদি,সার্থক হবে আমার প্... নির্জনতার মাঝেই আমি নিজেকেই খুঁজে পাই.. তোমার কথাই যে মনে পড়ে...রাত্রি যখন আসে চুপিসারে আমায় পাবে না খুঁজে...যখন হারিয়া যাব সবার শেষে.. আমি তোমার ভালবাসার স্পর্শ পেয়ে হয়েছি পরিপূর্ণ,তবুও... আমি তোমার ভালবাসার স্পর্শ পেয়ে হয়েছি পরিপূর্ণ,তবুও... তোমার সব অনুভুতিতে যা কভু হবেনা অবসন্ন তোমার কাছে এসে..... কেমন করা দেকবো তোমায়..তুমি কোথায় প্রিয় সেই সময়গুলি.. তার কথা আজ পরছে খুব মনা...সে যে আমার প্রিয় প্রিয়তম... বন্ধু তোমায় ভুল বুঝ না আমায়....... অতুলনীয় তুমি এটাই কি আমার বড় ভুল, তোমাকে ভালবাসা ? কুমার জীবন আমার চারপাশে পুরানো চিঠি নতুন নয়ত কিছু! তোমার তরে হাসিমুখে কষ্টকে জয় করতে তুমিই আমার ভুবন একাকী পথচলা শুধু একবার বলো, ‘ভালবাসি শুধুই তোমায়’ কিছুভুল বাস্তব জীবন একাকী পথ চলা শেষের দিনগুলো

Friday, February 23, 2018

ভালোবাসার কষ্টের কবিতাটি

সুখ নামের ছোট্র নৌকায় আমি দুঃখের মাঝি, আমার কষ্ট ভাগ করতে কেউ হয়নি রাজী। এই জীবনে চলতে গিয়ে পাইনি সুখের দেখা, শান্ত নদীর মাঝে আমি তাই চলছি একা। দুঃখ আছে মনে মনে, কইবো আমি কার শনে? শোনার মতো মানুষ নাই, নিজের কষ্ট নিজেই পাই, যখন পাবো তার দেখা, বলবো আমার সব কথা। দুঃখ নামের স্টেশনে থামলো জীবন গাড়ী, আজো খুজে পেলামনা কোথায় সুখের বাড়ি। বিধাতার কলমে বুঝি ছিলোনা কালি, সুখ নামেরি জায়গাটা পড়ে আছে আজো খালি!

সত্যি ত ভালবাসা মানে কি???

তুমি জানো না ভালোবাসা কি কিন্তু জানো ভালোবাসা কিভাবে জাগাতে হয় আমার ভিতর নদীর জলে ডুবে যাওয়া একটা মেয়ের মরদেহের মতই তুমি টেনে তোল ভালোবাসা। তুমি জানো কিভাবে ধুয়ে মুছে দূর করতে হয় আমাদের অতীতের গায়ে লেগে থাকা আবর্জনা, দুর্গন্ধ। কিভাবে আবার শুরু করতে হয় নতুন করে। এই যে প্রেম, সে উঠে বসে, পলক ফেলে, বিস্মিত; সে কম্পিত পদে হেঁটে বেড়ায়। যে কোন মুহূর্তেই এখন সে খেতে চাইবে, শক্ত খাবার। সে চড়তে চাইবে গাড়িতে, মাটির সাথে লেগে থাকা একটা নিচু দ্রুতগামী গাড়ি, এবং সে যেতে চাইবে মরুভূমির কোন এক নোংরা জায়গায়, যেখানে সে মাতাল হবে, ক্লান্ত হবে, তারপর নেচে বেড়াবে, শুধু অন্তর্বাসে। তুমি জানো এই প্রেমের গতিপথ কোনদিকে, তুমি এও জানো সে জেগে উঠবে একটা অজানা ব্যাথা নিয়ে, কড়িহীন প্রেম, ভয়ঙ্কর তৃষ্ণায় চৌচির হবে তাঁর কণ্ঠনালী। সুতরাং আমার শার্টের ভিতরে তোমার উষ্ণ হাতের নরম স্পর্শের আর কোন গুরুত্ব নেই, এবং গুরুত্ব নেই অক্সিজেন টিউবের মত আমার গলায় তোমার জিহ্বার স্পর্শেরও। আমায় ঢেকে ফেলো কালো প্লাস্টিকে। আসার জায়গা করে দাও, শোকার্তদের।

রোমান্টিক ভালোবাসার কবিতা আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষকে শুনাতে পারেন...!!!

একটা মানুষ একলা আমার তবুও কেমন ভীষণ একা! একটা জীবন অন্ধকারে চক্ষু খুলে হয়নি দেখা। এমন কিছু দিন হয়ে যায় রাত হয়ে যায় চোখের পলক এমন কিছু গোপন কথা বুকের ব্যাথা সরল দোলক। দোলছে দুলুক হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ছে উড়ুক মেঘের ভাঁজে খেলছে খেলুক ঢেউয়ে ঢেউয়ে স্বপ্নে দেখা পঙ্খীরাজে। আমিও জানি তুমিও জানো দিন গুলো সব দমের ফানুশ, হাওয়ায় হাওয়ায় ভেসে ভেসে একলা আমার একটা মানুষ

রুপ কথার পরি ও রাখাল অনেক ভালো গল্প...!

ছোট নিঝুম দ্বীপ, চারিদেক শুধু অথই পানি আর বিশাল বন জঙ্গল। গাছ আর গাছ, সেই গাছে বাস করে হরেক রকম পাখী, যারা গাছের ফল খেয়েই বাচে। সেই সব গাছের একটিতে বাস করে একটি পেত্নি পরিবার, পেত্নি, পেত্নির ভাই, এই দুইজনকে নিয়ে তাদের পরিবার, পেত্নির বাবা আর মা মারা গেছে অনেক যুগ আগেই। পেত্নি আর পেত্নির ভাই মিলে নদীর মাছ ধরে ধরে খায় আর জীবন চালায়।
সেই বনে বাস করে হলুদ পরী, যেমন রুপ তেমনি তার গুন। আবার পেত্নি আর পরী প্রাণের সখী। একদিন পেত্নির খুব মন খারাপ হলো,সে মন খারাপ করে নদীর পাড়ে বসে কাঁদতে লাগলো তাই দেখে হলুদ পরী জানতে চাইলো ” এই পেত্নি তোর কি হয়েছে রে” পেত্নি উত্তরে বললো সখি আমার না এই বনের পাশে এক গ্রাম আছে সেই গ্রামে এক রাখালকে খুব ভালো লাগে কিন্তু কি করে তার কাছে যাই সে তো মানুষ আর আমি পেত্নি”। এই কথা শুনে হলুদ পরী হেসে বললো
ও এই কথা, দাড়া আগে আমি দেখে আসি সে দেখতে কেমন। হলুদ পরী উড়ে গিয়ে ওই গ্রামে গেলো একটা গাছের তলে রাখালকে দেখতে পেলো, এতো সুন্দর রাখালকে দেখে পরীর নিজের ই খুব পছন্দ হয়ে গেলো। পরী তার রুপ পাল্টে সেই রাখারের সাখে গল্প করতে লাগেলা, ধীরে ধীরে তাদের সখ্যতা বাড়তে লাগলো। এ দিকে পরী পেত্নিকে বললো রাখাল অনেক খারাপ মানুষ তুই ওর দিকে আর তাকাসনে। পেত্নিও সরল মনে পরীর কথা মেনে নিলো শত হলেও পরী তো তার সখী হয়।
একদিন পেত্নি উড়ে গিয়ে আবার ওই গ্রামে গেলা তখন সে দেখলো পরী আর রাখালকে, তারা গাছের নীচে বসে মগ্ন হয়ে গল্প করছিলো,পেত্নির চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পরলো পরী তাকে ধোঁকা দিয়েছে। পেত্নি আর ওখানে না থেকে বনে ফিরে এলো, পরীকে আর সে কিছু বললো না, মনে মনে ভেবে নিলো সে তো ওই রাখালের যোগ্য না, পরী কতো সুন্দর রাখালের সাথে মানায় ও তাকে বেশ। এভাবে দিন কেটে যাচ্ছিল।
পেত্নি মাঝে মাঝে ওই গ্রামে ঘুড়তে যায়, হঠাৎ একদিন সে দেখলো একটা মানুষ গাছের তলে বসে বাশি বাজাচ্ছে, পেত্নি সেই গাছের ডালে বসে বাশির সুর শুনতে লাগলো। তার খুব ভালো লাগলো বাশির সুর। এভাবে প্রতিদিন সে ওই গ্রামে যায় আর বাশির সুর শুনে আসে। একদিন সে ওই বংশী বাদকের সামনে যায় তবে রুপ বদলে, মানুষের রুপ ধরে, বংশি বাদকতো তাকে দেখে খুব অবাক, পেত্নি বংশী বাদককে বললো সে প্রতিদিন তার বাশির সুর শুনে যায় তার বাশির সুর খুব ভালো লাগে, সে তার বাশির সুর প্রতিদিন শুনতে আসবে যদি বংশী বাদকের কোন আপত্তি না থাকে। বংশী বাদক কোন কিছু না ভেবে বলে ঠিক আছে আমি তোমাকে প্রতিদিন বাশি শোনাবো। পেত্নিও খুশি মনে তার কথা মেনে নিয়ে বনে ফিরে আসে। এর পর থেকে পেত্নি রোজ গ্রামে গিয়ে বাশির সুর শুনে আসে আর বংশী বাদকের সাখে গল্প করে। এভাবেই কাটছিলো তাদের দিন, হঠাৎ একদিন হলুদ পরী তাদের দেখে ফেলে, বংশী বাদককে দেখে পরীর খুব পছন্দ হয়ে যায়।সে বনে ফিরে পেত্নির কাছে জানতে চায় তাদের কি সম্পর্ক, পেত্নি বলে আমার আসল রুপ কি তাতো বংশী বাদক জানেনা, তাই সে মানুষের রুপ ধরে প্রতিদির তার কাচে যায় আর গাছের তলে বসে রোজ গল্প করে,বাশির সুর শুনে আসে। তবে সে বংশী বাদকে ভালোবেসে ফেলেছে, কি করা যায় পরীর কাছে জানতে চায় পেত্নি, পরী পেত্নিকে বলে ঠিক আছে আমি তোর হয়ে বংশী বাদককের কাছে যাবো আর তাকে সব খুলে বলবো, দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু যতো দিন আমি কিছু না বলি তুই ভুলেও ওই গ্রামে যাবিনা, তোকে দেখে আবার হিতে বীপরিত না হয়ে যায়। পেত্নিও সরল মনে সব পরীর কথা আবার মেনে নিল।
এদিকে পরী মানুষের রুপ ধরে ওই গ্রামে গিয়ে বংশী বাদকের সাথে গল্প করে আর বাশি শুনে আসে। এভাবে সে বংশী বাদকের কাছাকাছি চলে যায়। আর এ দিকে পেত্নি অপেক্ষা করে কবে পরী আসবে আর সে বংশী বাদকের সাথে দেখা করবে। দিন গড়িয়ে মাস যায়, পরী শুধু তাকে বলে আরে সবুর করতে, এখনো বংশী বাদক রাজি হয়নি, রাজি হলে সে পেত্নিকে জানিয়ে যাবে। পেত্নিও সরল মনে অপেক্ষা করে। একদিন পেত্নির ভাই ওই গ্রামে যায় মাছ চুরি করতে, সে তখন গাছের নীচে পরী আর বংশী বাদককে দেখতে পায়, পেত্নির ভাই পেত্নির মনের কথা আর বংশী বাদকের কথা জানতো, সে পরীকে ওই বংশীবাদকের সাথে দেখে একটু অবাকই হয়, সে বনে ফিরে পেত্নিকে সব খুলে বলে, সব শুনে পেত্নি খুব কষ্ট পায় আর বুঝতে পারে কেনো পেত্নি এতেদির থেকে তাকে শুধু আশ্বাস দিয়ে আসছে আর এবারও সে তাকে ধোকা দিয়েছে। পেত্নি পরীর কাছে গিয়ে জানতে চায় কেনো সে এমন করলো, পরী খুব অহন্কারের সাথে বলে ” আরে তোর যে চেহারা তা দেখে কে তোকে পছন্দ করবে, ভালোবাসবে” তুই বংশী বাদককে ভুলে যা, সে শুধু আমার” পেত্নি তখন পরীকে বলল, তুই আমার বন্ধু হয়ে দুইবার ধোকা দিয়েছিস দেখবি একদিন তুই ও ধোকা খাবি, পরী অহন্কারের সুরে বলে গেল কেউ আমাকে ধোকা দিতে পারবে না এই সব তোকে ভাবতে হবে না। পরীর অহন্কারী কথা শুনে পেত্নি মনের দুঃখে পরীর বাসা থেকে নিজের বাসায় ফিরে এসে কাঁদতে লাগলো আর বিধাতাকে বলতে লাগলো কেনো তাকে পেত্নি বানালো পরী না বানিয়ে। মনের দুঃখে পেত্নি বাকী জীবন একাই কাটাতে লাগলো।
আমার গল্প ফুরালো নটে গাছটি মুরালো।

Romantic Love story Life Style

- হ্যালো! , - কেমন আছো? , - কে বলছেন? , - আমি বলছি। , - আমি টা কে ? , - আমি, তুমি আমাকে চিনতে পারছোনা ? , - নাম না বললে কিভাবে চিনবো ? , - তুমি, তুমি আমার কন্ঠটাও ভুলে গেছ ? এত কথা বলেছি আমরা । আমি বিশ্বাস করিনা তুমি আমাকে চিনতে পারোনি । আমার উপর ক্ষোভ থেকেই তুমি এমন করেছো । , - কথা বললেই কি কন্ঠ চেনা যায় ? পাশে থাকলেই কি মানুষ চেনা যায়?ভালবাসি বললেই কি ভালবাসা যায় ? আর ক্ষোভ,কিসের ক্ষোভ ? , -এতদিন পরে কথা হচ্ছে, তুমি আজও এমন কঠিন করে কথা বলবে? এখনো আমায় ক্ষমা করতে পারোনি না ? , -সহজ করে কথা বললে কি হবে ? আর তুমি তো কোন পাপ করোনি, ক্ষমাটা আসছে কোথা থেকে ? , - পাপ ! আমি কত বড় অপরাধ করেছি সে তো আমি জানি । যার জ্বালায় এখন জ্বলে পুড়ে মরছি । কেমন আছো অর্ক ? , -যেমন থাকার কথা ছিল । , - এখনো যে জেগে আছো ! ঘুমাওনি কেন? , - ঘুম !!! ঘুম যার কাছ থেকে কিনতাম সে তো মারা গেছে কয়েকমাস হল । তাই আর ঘুমানো হয়না । , -হ্যা ঠিকই বলেছো, আমি তো মারাই গেছি । কি করছিলে এত রাতে? , - বেলকনিতে বসে সিগারেট খাচ্ছিলাম। , - তুমি আবার সিগারেট ধরেছো ? সিগারেট ছাড়ার জন্য যে আমার হাতে হাত রেখে কথা দিয়েছিলে সে কথা ভুলে গিয়েছো ? , - সবাই কি সব কথা রেখেছে ? কেউ একজন কথা দিয়েছিল সিগারেট ছাড়লে তিনবেলা নিয়ম করে চুমু খাবে । কথারা কথা রাখেনি তবে আমি কেন কথা রাখবো? , - আমি কেমন আছি সেটা জিজ্ঞেস করলে না ? , - নিশ্চই ভাল আছো । ভাল থাকার জন্যই তো আমার থেকে দূরে সরে গিয়েছ। , -হ্যাঁ,ভাল আছি, অনেক বেশিই ভাল আছি আমি । এত সুখে আছি যা কল্পনাও করতে পারবেনা তুমি । সারা শরীরে আজ ভালবাসার চিহ্ন। , - ভালবেসে বিয়ে করেছ ভাল থাকাটাই স্বাভাবিক । আমি তো কখনোই ভালবাসতে পারিনি, সুখ দিতে পারিনি । , - তুমি আমাকে জীবনেও বুঝলেনা । আমি কিসের জন্য তোমার কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছি সে শুধুই আমি জানি । , -জানি কেন আমায় দূরে ঠেলেছিলে, বুঝি, অতটুকু বোঝার ক্ষমতা আমার আছে । যাকে পাগলের মত ভালবেসেছি তাকে বুঝবো না। , - আজ কত তারিখ মনে আছে তোমার? , - দিন তারিখ মনে রেখে কি হবে। , - আজ সেই দিন তিন বছর আগের যেই দিনটাতে তুমি আমাকে ভালবাসি কথাটি বলেছিলে । তুমি সেই দিনটিও ভুলে গেছ? , - মানুষই মানুষকে ভুলে যায়, নিজেই নিজেকে ভুলে যাই আবার দিন মনে রাখবো কি করে । , - তুমি মিথ্যে বলছো, তুমি কিছুই ভুলে যাওনি । আমি তোমাকে চিনি অর্ক অনেক ভালভাবেই চিনি । ভালবেসেছিলাম, এখনো ভালবাসি । শুধু পরিস্থিতি দূরে যেতে বাধ্য করেছে । তুমি শুধুশুধু আমায় ভুল বুঝেছো । আমি জানি আমি অপরাধ করেছি কিন্তু আমার কিছুই করার ছিলনা । আমার বিয়ে করাটা জরুরি ছিল আর তুমি অই মুহুর্তে আমায় বিয়ে করতে পারতে না । জানি তুমি আমায় ঘৃনা করো। কিন্তু মনে রেখ আমি তোমায় আজও ভালবাসি আগের মতই শুধু মাঝে একটা দেয়াল আছে এই আরকি! , - হাহাহাহাহা। ভালবাসা!!!!! আমার কারো ভালবাসার দরকার নেই।আমি এখন সিগারেট ছাড়া আর কাউকেই ভালবাসিনা।আমি আর সিগারেট দুজনের সংসার খুব ভালই চলছে । এর মাঝে আপনি আর জ্বালাতন না করলেই খুশি হব অর্না ম্যা'ম